NU Student ProOpen app →

Government and Politics in South Asia · দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি · 211905

দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের সামাজিক অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রসমূহের প্রধান প্রধান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা কর। অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যগুলো এ অঞ্চলের রাজনীতিকে কিভাবে প্রভাবিত করেছে তা ব্যাখ্যা কর। অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান প্রধান আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর।

broad · 10 marks Appeared 4× · 2023, 2022, 2019, 2015
দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের সামাজিক অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রসমূহের প্রধান প্রধান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা কর। অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যগুলো এ অঞ্চলের রাজনীতিকে কিভাবে প্রভাবিত করেছে তা ব্যাখ্যা কর।

অথবা, দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান প্রধান আর্থ-সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর।

Answer

ভূমিকা:
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থানগত গুরুত্ব অপরিসীম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই অঞ্চলের দেশগুলো ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতা লাভের পর এসব দেশে বিভিন্ন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটেছে। তবে, এই বৈচিত্র্যের মাঝেও এ অঞ্চলের জনগণ একটি অভিন্ন ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে আছে, যা তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। নিম্নে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের প্রধান প্রধান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের প্রধান প্রধান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ:

অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য:
দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যগুলো মূলত উন্নয়নশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোকেই প্রতিফলিত করে।

১. শিল্পের অনগ্রসরতা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে শিল্পের বিকাশ এখনো উন্নত বিশ্বের তুলনায় অপ্রতুল। এর প্রধান কারণগুলো হলো মানবসম্পদের দক্ষতার অভাব, পর্যাপ্ত পুঁজি বিনিয়োগের স্বল্পতা, বৈদেশিক নির্ভরতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহার। ফলস্বরূপ, এই অঞ্চলের শিল্প খাত এখনো অনেকটাই অনগ্রসর।

২. উচ্চ দারিদ্র্য হার: উচ্চ দারিদ্র্য হার দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ, প্রায় ৮০ শতাংশ, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। অনুন্নত কৃষি ব্যবস্থার কারণে অনেক প্রান্তিক কৃষক পরের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। পুঁজি বিনিয়োগের স্বল্পতার কারণে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে না, যা বেকারত্ব বৃদ্ধি করে। বৈদেশিক শোষণ এবং দুর্বল রাজনৈতিক কাঠামোও এই দারিদ্র্যের জন্য অনেকাংশে দায়ী।

৩. মান্ধাতার আমলের কৃষি ব্যবস্থা: এ অঞ্চলের কৃষকরা এখনো উন্নত কৃষি ব্যবস্থার সুফল থেকে বঞ্চিত। আধুনিক কৃষি সামগ্রী এবং প্রযুক্তি তাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পৌঁছায়নি। অনেক কৃষক এখনো একজোড়া বলদ ও হাতে তৈরি লাঙল দিয়ে সনাতন পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করে। সরকার থেকে পর্যাপ্ত কৃষি ঋণ না পাওয়ায় কৃষকদের পক্ষে আধুনিকীকরণ সম্ভব হয় না।

৪. খাদ্য সংকট: দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশই এখনো পুরোপুরিভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়নি, যদিও প্রতিটি দেশ বহু বছর আগেই স্বাধীনতা লাভ করেছে। উন্নত দেশসমূহ থেকে প্রচুর খাদ্যদ্রব্য আমদানি করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে স্বাধীনতার চার দশক পার হলেও এখনো চরম খাদ্য সংকটে ভোগে, যার ফলে উত্তরবঙ্গের জেলাসমূহে ‘মঙ্গা’র মতো পরিস্থিতি দেখা যায় এবং অনেক মানুষ মারা যায়।

৫. জ্বালানি শক্তির অপ্রতুলতা: এই অঞ্চল এখনো জ্বালানি শক্তির দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ফলে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার একটি বৃহৎ অংশ জ্বালানি শক্তি আমদানিতে ব্যয় করতে হয়, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে।

৬. অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো অনুন্নত। দারিদ্র্যের কারণে বিশাল জনগোষ্ঠীর ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করতে পারছে না।

সামাজিক বৈশিষ্ট্য:
দক্ষিণ এশিয়ার সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলো এ অঞ্চলের বহুত্ববাদ ও ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারের প্রতিফলন।

১. ধর্ম ও গোষ্ঠী: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বৈশিষ্ট্য হলো বিভিন্ন ধর্ম ও গোষ্ঠীর মানুষের সহাবস্থান। যেমন:
(ক) ভারতে: হিন্দু ৮৪%, মুসলমান ১২%, অন্যান্য ৪%
(খ) শ্রীলঙ্কায়: বৌদ্ধ ৬৭%, হিন্দু ১৮%, খ্রিস্টান ৭.২%, অন্যান্য ৭.৮%
(গ) পাকিস্তানে: মুসলমান ৯৬%, খ্রিস্টান ৩%, অন্যান্য ১.৫%
(ঘ) বাংলাদেশে: মুসলমান ৯২%, হিন্দু ৬%, খ্রিস্টান ০.৭%

২. পাশ্চাত্য শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন: ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পাশ্চাত্য শিক্ষাব্যবস্থার প্রসার ঘটেছে। শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি সংস্কৃতি, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক পাশ্চাত্য প্রভাব লক্ষণীয়।

৩. সরকারি কার্যাবলির প্রসার: আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য এসব দেশে সরকারি কার্যাবলির ব্যাপক প্রসার ঘটছে। আধুনিক রাষ্ট্রের কার্যাবলির পরিসর বিস্তৃত হওয়ায় সরকার বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করছে।

৪. নতুন সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব: ঔপনিবেশিক শাসন থেকে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত হওয়ার পর এসব দেশে পুরাতন অর্থনৈতিক শ্রেণির স্থলে আধা-সামন্ততান্ত্রিক, পুঁজিবাদী ও সাম্যবাদী ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। সমাজের মানুষ উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

৫. ভাষাগত দিক: দক্ষিণ এশিয়ায় বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির লোক বাস করার কারণে তাদের মধ্যে নৃতাত্ত্বিকভাবে ভাষাগত ভিন্নতা দেখা যায়। এসব অঞ্চলের অধিবাসীরা অনেক ভাষায় কথা বলে। যেমন, ভারতে হিন্দি, বাংলা, উর্দু, মারাঠি, তেলেগু, তামিল, পাঞ্জাবিসহ প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত। পাকিস্তানের প্রধান ভাষা পশতু, পাঞ্জাবি, উর্দু, ইংরেজি, বেলুচি। অপরদিকে শ্রীলঙ্কার প্রধান ভাষা তামিল, সিংহলি ও ইংরেজি।

রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য:
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যগুলো প্রায়শই অস্থিরতা, ধর্মের প্রভাব এবং নেতৃত্বের বিশেষ ধরন দ্বারা চিহ্নিত।

১. রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ধর্মের প্রভাব অত্যন্ত সুস্পষ্ট। ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি এ অঞ্চলে বিদ্যমান, যার কারণে প্রত্যেক দেশেই ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের প্রভাব দেখা যায়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের জামায়াতে ইসলামী এর জ্বলন্ত উদাহরণ।

২. আমলাতান্ত্রিক রাজনীতি: সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার প্রবর্তিত আমলাতন্ত্রের কঠোর অনুশীলন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির আরেকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। আমলারা নিজেদের রাজনৈতিক নেতাদের চেয়ে যোগ্য মনে করে এবং সেজন্য তারা রাজনীতিতে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করে। তাছাড়া, এসব দেশে 'লাল ফিতার দৌরাত্ম্য' অত্যধিক দেখা যায়, যা প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ায়।

৩. মিশ্র রাজনৈতিক দল: দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে মিশ্র প্রকৃতির রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি ব্যাপক। এসব দেশের রাজনৈতিক দলসমূহ দেশীয় উপাদানের ভিত্তিতে রাজনীতি না করে, বরং পাশ্চাত্য মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করে। এদের মধ্যে ধর্মীয়, গণতান্ত্রিক, জাতীয়তাবাদী ও সমাজতান্ত্রিক প্রভৃতি ভাবধারার সমন্বয় লক্ষণীয়। অধিকাংশ রাজনৈতিক দলগুলো পাশ্চাত্য দেশসমূহের দলীয় ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৪. জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল: ঔপনিবেশিক শাসনামলে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য জাতীয়তাভিত্তিক রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে এবং দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারাই দেশের কর্তৃত্ব গ্রহণ করে। পাকিস্তানের মুসলিম লীগ, ভারতের কংগ্রেস এবং বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ এর জ্বলন্ত উদাহরণ।

৫. রাজনীতিতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির অংশগ্রহণ: এ দেশসমূহের রাজনীতিতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষণীয়। এই শ্রেণি থেকেই নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। বর্তমানে নিম্নবিত্ত শ্রেণিও রাজনৈতিক দিক দিয়ে সচেতন হয়ে উঠছে। মধ্যবিত্ত শ্রেণির উপর ভিত্তিশীল রাজনৈতিক দলই এসব দেশে অধিক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

৬. সম্মোহনী শক্তিসুলভ নেতৃত্ব: জনগণকে খুব দ্রুত আকৃষ্ট করা এবং তাদের মন জয়ের রাজনীতি এ অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ঔপনিবেশিক আমল থেকে এ অঞ্চলে এমন কিছু নেতার আবির্ভাব ঘটেছে যারা খুব দ্রুত মানুষের মন জয় করে নিয়েছিলেন। ভারতের মহাত্মা গান্ধী, পাকিস্তানের মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদেরই প্রতিনিধিত্ব করেন।

৭. রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য: সামাজিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রভাবের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বিভিন্ন ধারা লক্ষ্য করা যায়, যা গতানুগতিক ধারা হতে আলাদা। ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আঞ্চলিক প্রভাব অনেক সময় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৮. দলগত আদর্শে ব্যক্তিগত প্রভাব: গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম মূলনীতি হলো 'ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়'। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার অনেক ক্ষেত্রে দলের চেয়ে ব্যক্তির প্রভাব বেশি দেখা যায়। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত অনেক ক্ষেত্রেই বেশি প্রভাব বিস্তার করে, যা দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।

৯. রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপ: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো সামরিক বাহিনীর ঘন ঘন হস্তক্ষেপ। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সুযোগ নিয়ে সামরিক বাহিনী রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে, যা গণতন্ত্রের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।

উপসংহার:
উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল লক্ষ্য করা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো এ অঞ্চলের রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে, যা প্রায়শই অস্থিরতা, উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ এবং সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করে। উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার জন্য এসব দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা, রাজনীতি অনেক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে নিয়ন্ত্রণ করে। যদি এই দেশগুলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম না হয়, তাহলে তারা বিশ্ব দরবারে পিছিয়ে পড়বে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাও বিঘ্নিত হবে।