BANGLA SHORT STORY-1 · 231005
অপু হাতে স্বর্গ পাইয়া গেল।-ব্যাখ্যা কর।
short · 4 marks
Board 2023
"অপু হাতে স্বর্গ পাইয়া গেল।"-ব্যাখ্যা কর।
অথবা, "অপু হাতে স্বর্গ পাইয়া গেল।" কীভাবে? ব্যাখ্যা কর।
অথবা, "অপু হাতে স্বর্গ পাইয়া গেল।" কীভাবে? ব্যাখ্যা কর।
Answer
প্রাসঙ্গিকতা: আলোচ্য অংশটুকু বাংলা গদ্য সাহিত্যে অনন্যসাধারণ মৌলিক সিসৃক্ষার অধিকারী ঔপন্যাসিক বিভূতিভূঙ্খল বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচিতির অভিজ্ঞান 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্ব 'আম-আঁটির ভেঁপু' হতে সংগৃহীত। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি লেখক অপুর বই পড়া প্রসঙ্গে এমন কথা বলেছেন।
ব্যাখ্যা: অপুদের পাড়ার সবচেয়ে ধনী পরিবার মুখুয্যে পরিবার। ঐ বাড়ির ছেলেমেয়েরা অপু ও দুর্গাকে কিছুটা অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখে, কিন্তু মুখুয্যে বাড়ির রাণু মেয়েটি অপুকে খুবই ভালোবাসে। দিদি দুর্গার মৃত্যুর পর অপু রাণুদের বাড়িতে আর বেশি যায় না। তবে রাণুকে অপু দুর্গার মতো ভালোবাসে, ভালোবাসার দিক দিয়ে দিদি দুর্গার পর রাণদির স্থান অপুর কাছে। অপুর বই পড়ার তীব্র শখ। অপু তার বাবা হরিহরের বাক্স থেকে অনেক পুরনো বই গোপনে পড়েছে। তার পিতা দরিদ্র, তার বই কিনে দেওয়ার সামর্থ্য নেই। মুখুয্যে বাড়িতে রাণুদের আলমারিতে অনেক পুরনো বই ছিল। অপু অনেকদিনই বইগুলোর দু'একটা নিয়ে সামান্য পড়তে না পড়তেই মুখুয্যে বাড়ির সতু তা কেঁড়ে নিয়েছে। অপু সুযোগ মতো রানুদির কাছে বই পড়ার দাবি করেছে। কিন্তু রাণু বলার পরও সতু বই পড়তে দিতে রাজি হয় না। তবে সতু এক শর্তে অপুকে বই পড়তে দিতে রাজি হয়, তা হচ্ছে- তাদেঁর মাঠের পুকুরে মাছ চুরির পাহারা দেয় সতু একা, অপু যদি সতুর সাথে গিয়ে এ ব্যাপারে সাহায্য করে তবেই সতু অপুকে বই পড়তে দেবে। অবশেষে অপু এই শর্তেই রাজি হয়। সে প্রতিদিন দুপুরে সতুর নিকট হতে বই নিয়ে বাঁশবাগানের ছায়ায় বসে পড়ে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ শখ পূরণ হওয়ায় অপু সত্যি যেন স্বর্গীয় আনন্দ উপভোগ করে।
শেষকথা: পরিশেষে বলা যায় যে, বই পড়ার প্রতি অপুর যে নেশা ছিল, সেই নেশা পূরণ হওয়ার আনন্দকে ঔপন্যাসিক স্বর্ণীয় আনন্দের সাথে তুলনা করেছেন। রাণুদির বিশেষ স্নেহে অপুর জীবনে অসম্ভব সব বিষয় সম্ভব হয়েছে।
ব্যাখ্যা: অপুদের পাড়ার সবচেয়ে ধনী পরিবার মুখুয্যে পরিবার। ঐ বাড়ির ছেলেমেয়েরা অপু ও দুর্গাকে কিছুটা অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখে, কিন্তু মুখুয্যে বাড়ির রাণু মেয়েটি অপুকে খুবই ভালোবাসে। দিদি দুর্গার মৃত্যুর পর অপু রাণুদের বাড়িতে আর বেশি যায় না। তবে রাণুকে অপু দুর্গার মতো ভালোবাসে, ভালোবাসার দিক দিয়ে দিদি দুর্গার পর রাণদির স্থান অপুর কাছে। অপুর বই পড়ার তীব্র শখ। অপু তার বাবা হরিহরের বাক্স থেকে অনেক পুরনো বই গোপনে পড়েছে। তার পিতা দরিদ্র, তার বই কিনে দেওয়ার সামর্থ্য নেই। মুখুয্যে বাড়িতে রাণুদের আলমারিতে অনেক পুরনো বই ছিল। অপু অনেকদিনই বইগুলোর দু'একটা নিয়ে সামান্য পড়তে না পড়তেই মুখুয্যে বাড়ির সতু তা কেঁড়ে নিয়েছে। অপু সুযোগ মতো রানুদির কাছে বই পড়ার দাবি করেছে। কিন্তু রাণু বলার পরও সতু বই পড়তে দিতে রাজি হয় না। তবে সতু এক শর্তে অপুকে বই পড়তে দিতে রাজি হয়, তা হচ্ছে- তাদেঁর মাঠের পুকুরে মাছ চুরির পাহারা দেয় সতু একা, অপু যদি সতুর সাথে গিয়ে এ ব্যাপারে সাহায্য করে তবেই সতু অপুকে বই পড়তে দেবে। অবশেষে অপু এই শর্তেই রাজি হয়। সে প্রতিদিন দুপুরে সতুর নিকট হতে বই নিয়ে বাঁশবাগানের ছায়ায় বসে পড়ে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ শখ পূরণ হওয়ায় অপু সত্যি যেন স্বর্গীয় আনন্দ উপভোগ করে।
শেষকথা: পরিশেষে বলা যায় যে, বই পড়ার প্রতি অপুর যে নেশা ছিল, সেই নেশা পূরণ হওয়ার আনন্দকে ঔপন্যাসিক স্বর্ণীয় আনন্দের সাথে তুলনা করেছেন। রাণুদির বিশেষ স্নেহে অপুর জীবনে অসম্ভব সব বিষয় সম্ভব হয়েছে।
References
📖 ব্যতিক্রম — p. 236